⚠️ নোটিশ: সুবর্ণচর এক্সপ্রেসের আনুষ্ঠানিক চালুর তারিখ এখনো বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করেনি। নিচের সময়সূচী ও তথ্য প্রস্তাবিত ও অনুমোদিত প্রস্তাবনার ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। ট্রেনটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার সাথে সাথে এই পেজ আপডেট করা হবে।
সুবর্ণচর এক্সপ্রেস: ঢাকা–নোয়াখালী রুটের নতুন সংযোজন
ঢাকা–নোয়াখালী রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে বাংলাদেশ রেলওয়ে এই রুটে একটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ট্রেনটির নাম সুবর্ণচর এক্সপ্রেস, যা নোয়াখালী জেলার ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সুবর্ণচর উপজেলার নামে নামকরণ করা হয়েছে। এই নামটি অনুমোদন করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উপসচিব তৌফিক ইমাম স্বাক্ষরিত সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সাল থেকে ঢাকা–নোয়াখালী রুটে উপকূল এক্সপ্রেস একমাত্র আন্তঃনগর ট্রেন হিসেবে চলে আসছে। সুবর্ণচর এক্সপ্রেস চালু হলে এই রুটে দ্বিতীয় আন্তঃনগর ট্রেন যুক্ত হবে এবং যাত্রীরা আরও বেশি সুবিধা পাবেন।
ট্রেনের মূল তথ্য
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| ট্রেনের নাম | সুবর্ণচর এক্সপ্রেস |
| ট্রেন নং (আপ) | ৮১৭ |
| ট্রেন নং (ডাউন) | ৮১৮ |
| রুট | নোয়াখালী – ঢাকা – নোয়াখালী |
| মোট কোচ | ১৪টি |
| মোট আসন | ৬৭৯টি |
| কোচের ধরন | চায়না কোচ |
| সাপ্তাহিক বন্ধ | শুক্রবার |
সময়সূচী
ট্রেন নং ৮১৭ (নোয়াখালী → ঢাকা)
| স্টেশন | প্রস্থান/আগমন |
|---|---|
| নোয়াখালী | দুপুর ০২:৩০ (প্রস্থান) |
| ঢাকা | রাত ০৮:১০ (আগমন) |
ট্রেন নং ৮১৮ (ঢাকা → নোয়াখালী)
| স্টেশন | প্রস্থান/আগমন |
|---|---|
| ঢাকা | সকাল ০৮:০০ (প্রস্থান) |
| নোয়াখালী | দুপুর ০১:৩০ (আগমন) |
📌 মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোর বিস্তারিত সময়সূচী ট্রেন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার পর আপডেট করা হবে।
স্টপেজ তালিকা (প্রস্তাবিত)
সুবর্ণচর এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত যাত্রাপথে নিম্নলিখিত স্টেশনগুলোতে থামবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছে:
| ক্রম | স্টেশনের নাম |
|---|---|
| ১ | ঢাকা (কমলাপুর) |
| ২ | ঢাকা বিমানবন্দর |
| ৩ | নরসিংদী |
| ৪ | ভৈরব বাজার |
| ৫ | ব্রাহ্মণবাড়িয়া |
| ৬ | আখাউড়া |
| ৭ | কসবা |
| ৮ | কুমিল্লা |
| ৯ | লাকসাম |
| ১০ | নাথের পেটুয়া |
| ১১ | সোনাইমুড়ি |
| ১২ | বজরা |
| ১৩ | চৌমুহনী |
| ১৪ | মাইজদীকোর্ট |
| ১৫ | নোয়াখালী |
ভাড়ার তালিকা (প্রস্তাবিত)
📌 আনুষ্ঠানিক ভাড়া তালিকা এখনো প্রকাশিত হয়নি। চালু হওয়ার পর বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী এই তথ্য আপডেট করা হবে। একই রুটের উপকূল এক্সপ্রেসের ভাড়া অনুযায়ী আসন বিভাগভিত্তিক আনুমানিক ভাড়া নিচে দেওয়া হলো:
| আসন বিভাগ | আনুমানিক ভাড়া |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | আপডেট আসছে |
| স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) | আপডেট আসছে |
| এসি বার্থ | আপডেট আসছে |
| প্রথম বার্থ | আপডেট আসছে |
টিকিট বুকিং
সুবর্ণচর এক্সপ্রেসের টিকিট বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে অনলাইনে এবং নির্ধারিত রেলওয়ে স্টেশনের কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যাবে। ট্রেনটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার পর টিকিট বিক্রয় শুরু হবে।
📌 সর্বশেষ আপডেট পেতে এই পেজটি বুকমার্ক করে রাখুন। সুবর্ণচর এক্সপ্রেসের চালুর তারিখ, চূড়ান্ত সময়সূচী ও ভাড়া তালিকা নিশ্চিত হওয়ার সাথে সাথে এই পেজ আপডেট করা হবে।
১. সুবর্ণচর এক্সপ্রেস কোন রুটে চলবে?
সুবর্ণচর এক্সপ্রেস ঢাকা কমলাপুর থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত চলবে। পথে ঢাকা বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কুমিল্লা, লাকসাম, চৌমুহনীসহ মোট ১৫টি স্টেশনে থামবে।
২. সুবর্ণচর এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর কত?
নোয়াখালী থেকে ঢাকাগামী ট্রেনের নম্বর ৮১৭ এবং ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী ট্রেনের নম্বর ৮১৮।
৩. সুবর্ণচর এক্সপ্রেস কোন দিন বন্ধ থাকে?
সুবর্ণচর এক্সপ্রেস প্রতি শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে। বাকি ৬ দিন ট্রেনটি নোয়াখালী–ঢাকা রুটে নিয়মিত চলাচল করবে।
৪. ঢাকা থেকে নোয়াখালী সুবর্ণচর এক্সপ্রেসে কত সময় লাগবে?
৮১৮ নং ট্রেন ঢাকা থেকে সকাল ০৮:০০ টায় ছেড়ে দুপুর ০১:৩০ মিনিটে নোয়াখালী পৌঁছাবে। মোট যাত্রার সময় প্রায় ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
৫. নোয়াখালী থেকে ঢাকা সুবর্ণচর এক্সপ্রেস কখন ছাড়বে?
৮১৭ নং ট্রেন নোয়াখালী থেকে দুপুর ০২:৩০ মিনিটে ছেড়ে রাত ০৮:১০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে।
৬. সুবর্ণচর এক্সপ্রেসে কতটি আসন আছে?
সুবর্ণচর এক্সপ্রেসে মোট ১৪টি কোচে ৬৭৯টি আসন থাকবে। ট্রেনটি আধুনিক চায়না কোচ দিয়ে পরিচালিত হবে।
৭. সুবর্ণচর এক্সপ্রেসের নামকরণ কীভাবে হয়েছে?
নোয়াখালী জেলার গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সুবর্ণচরের নামানুসারে এই ট্রেনের নামকরণ করা হয়েছে। নামটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে।
৮. ঢাকা–নোয়াখালী রুটে আগে কি শুধু একটি আন্তঃনগর ট্রেন ছিল?
হ্যাঁ। ১৯৮৬ সাল থেকে উপকূল এক্সপ্রেস এই রুটের একমাত্র আন্তঃনগর ট্রেন হিসেবে চলে আসছে। সুবর্ণচর এক্সপ্রেস চালু হলে এটি হবে এই রুটের দ্বিতীয় আন্তঃনগর ট্রেন।
৯. সুবর্ণচর এক্সপ্রেসের টিকিট কীভাবে কাটব?
বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে অনলাইনে অথবা নিকটস্থ রেলওয়ে স্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকিট কাটা যাবে। ট্রেন চালু হওয়ার পর টিকিট বিক্রয় শুরু হবে।
১০. কুমিল্লা থেকে ঢাকা সুবর্ণচর এক্সপ্রেসে যাওয়া যাবে?
হ্যাঁ। কুমিল্লা প্রস্তাবিত স্টপেজ তালিকায় রয়েছে। কুমিল্লা থেকে যাত্রীরা সরাসরি সুবর্ণচর এক্সপ্রেসে উঠে ঢাকায় যেতে পারবেন। নির্দিষ্ট সময়সূচী ট্রেন চালু হওয়ার পর জানা যাবে।