চট্টগ্রাম থেকে সিলেট রুটে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রতিদিন চলাচল করে, তবে সোমবার ট্রেনটি বন্ধ থাকে। এটি চট্টগ্রাম থেকে সকাল ০৭:৫০ টায় ছেড়ে যায় এবং সিলেটে পৌঁছায় বিকেল ০৩:৫৫ টায়। মোট ভ্রমণের সময় প্রায় ৮ ঘণ্টা ৫ মিনিট।

সিলেট থেকে চট্টগ্রাম রুটে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস প্রতিদিন চলাচল করে, তবে বুধবার ট্রেনটি বন্ধ থাকে। এটি সিলেট থেকে সকাল ১০:৩০ টায় ছেড়ে যায় এবং চট্টগ্রামে পৌঁছায় সন্ধ্যা ০৬:৫৫ টায়। মোট ভ্রমণের সময় প্রায় ৮ ঘণ্টা ২৫ মিনিট।

 

চট্টগ্রাম থেকে সিলেট রুটে লাইভ জানতে

📍 ভিউ লাইভ লোকেশন
✉️ টাইপ TR 719 এবং পাঠিয়ে দিন 16318 নাম্বারে।

 

সিলেট থেকে চট্টগ্রাম রুটে লাইভ জানতে

📍 ভিউ লাইভ লোকেশন
✉️ টাইপ TR 720 এবং পাঠিয়ে দিন 16318 নাম্বারে।

 

কল সেন্টার
📞 যেকোনো তথ্যর জন্য  131 নম্বরে কল করুন।

 

🚉 প্রধান স্টেশনসমূহ (Chattogram → Sylhet)

চট্টগ্রাম → ফেনী → নাঙ্গলকোট → লক্ষ্মীপুর → কুমিল্লা → কাসবা → আখাউড়া → হরষপুর → নয়াপাড়া → শায়েস্তাগঞ্জ → শ্রীমঙ্গল → ভানুগাছ → শমসেরনগর → কুলাউড়া → বারমচাল → মাইজগাঁও → সিলেট

 

🚉 প্রধান স্টেশনসমূহ (Sylhet → Chattogram)

সিলেট → মাইজগাঁও → কুলাউড়া → শমসেরনগর → ভানুগাছ → শ্রীমঙ্গল → শায়েস্তাগঞ্জ → নয়াপাড়া → হরষপুর → আখাউড়া → কাসবা → কুমিল্লা → লক্ষ্মীপুর → নাঙ্গলকোট → ফেনী → চট্টগ্রাম

 

⏰বিরতিস্থান ও সময়সূচী (চট্টগ্রাম → সিলেট)

বিরতি স্টেশনআগমনের সময়ছাড়ার সময়
চট্টগ্রাম-০৭:৫০ AM
ফেনী০৯:১৪ AM০৯:১৬ AM
নাঙ্গলকোট০৯:৪৩ AM০৯:৪৫ AM
লাকসাম১০:০০ AM১০:০৩ AM
কুমিল্লা১০:২৬ AM১০:২৮ AM
কসবা১০:৫৮ AM১১:০০ AM
আখাউড়া১১:৩০ AM১১:৩৫ AM
হরাশপুর১২:০৫ PM১২:০৭ PM
নয়াপাড়া১২:২৮ PM১২:৩০ PM
শায়েস্তাগঞ্জ১২:৫০ PM১২:৫৩ PM
শ্রীমঙ্গল০১:৩০ PM০১:৩৫ PM
ভানুগাছ০১:৫৫ PM০১:৫৭ PM
শমশেরনগর০২:০৬ PM০২:০৮ PM
কুলাউড়া০২:৩২ PM০২:৩৫ PM
বড়মচাল০২:৪৮ PM০২:৫০ PM
মাইজগাঁও০৩:০৪ PM০৩:০৬ PM
সিলেট০৩:৫৫ PM-

⏰বিরতিস্থান ও সময়সূচী (সিলেট → চট্টগ্রাম)

বিরতি স্টেশনআগমনের সময়ছাড়ার সময়
সিলেট-১০:৩০ AM
মাইজগাঁও১১:০৯ AM১১:১১ AM
কুলাউড়া১১:৫৫ AM১১:৫৮ AM
শমশেরনগর১২:২১ PM১২:২৩ PM
ভানুগাছ১২:৩২ PM১২:৩৪ PM
শ্রীমঙ্গল১২:৫৭ PM০১:০২ PM
শায়েস্তাগঞ্জ০১:৫৪ PM০১:৫৭ PM
নয়াপাড়া০২:১৭ PM০২:১৯ PM
হরাশপুর০২:৩৯ PM০২:৪১ PM
আখাউড়া০৩:২০ PM০৩:২৫ PM
কসবা০৩:৪১ PM০৩:৪৩ PM
কুমিল্লা০৪:১৩ PM০৪:১৫ PM
লাকসাম০৪:৩৮ PM০৪:৪০ PM
নাঙ্গলকোট০৪:৫৫ PM০৪:৫৭ PM
ফেনী০৫:২৪ PM০৫:২৬ PM
চট্টগ্রাম০৬:৫৫ PM-

💺 শ্রেণিবিন্যাস ও ভাড়া

শ্রেণিভাড়া (৳)
শোভন চেয়ার375–400
স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার)720–760
ফার্স্ট ক্লাস সিট550–600
ফার্স্ট ক্লাস বার্থ980–1100

উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচি ও টিকিট ভাড়ার তালিকা

 

❓ সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)

প্রশ্ন ১: পাহাড়িকা এক্সপ্রেস সপ্তাহে কয়দিন চলে?
উত্তর: এটি প্রতিদিন চলে, তবে চট্টগ্রাম থেকে সোমবার এবং সিলেট থেকে বুধবার ট্রেনটি বন্ধ থাকে।

 

প্রশ্ন ২: চট্টগ্রাম থেকে সিলেট যেতে কত সময় লাগে?
উত্তর: প্রায় ৮ ঘণ্টা ৫ মিনিট সময় লাগে।

 

প্রশ্ন ৩: সিলেট থেকে চট্টগ্রাম যেতে কত সময় লাগে?
উত্তর: প্রায় ৮ ঘণ্টা ২৫ মিনিট সময় লাগে।

 

প্রশ্ন ৪: পাহাড়িকা এক্সপ্রেস কোন সময়ে ছাড়ে?
উত্তর: চট্টগ্রাম থেকে সকাল ০৭:৫০ টায় এবং সিলেট থেকে সকাল ১০:৩০ টায় ছাড়ে।

 

প্রশ্ন ৫: ট্রেনে কি খাবার ও পানীয়ের ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, ট্রেনে ক্যান্টিন সার্ভিস রয়েছে যেখানে হালকা খাবার ও পানীয় পাওয়া যায়।

 

প্রশ্ন ৬: মহিলা ও শিশুদের জন্য কি আলাদা আসন আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, মহিলা ও প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে।

 

প্রশ্ন ৭: অনলাইনে টিকিট কিভাবে বুক করব?
উত্তর: eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট বুক করা যায়।

 

প্রশ্ন ৮: ট্রেনে লাগেজ নেওয়া যায় কি?
উত্তর: হ্যাঁ, নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে লাগেজ বহন করা যায়।

 

প্রশ্ন ৯: ট্রেনে কি মোবাইল চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা আছে?
উত্তর: বেশিরভাগ কোচে চার্জিং পোর্ট রয়েছে।

 

প্রশ্ন ১০: টিকিট বাতিল করলে কি টাকা ফেরত পাওয়া যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টিকিট বাতিল করলে আংশিক অর্থ ফেরত দেওয়া হয়।

 

প্রশ্ন ১১: শিশুদের জন্য কি ছাড় পাওয়া যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, ৩ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ভাড়ায় ছাড় রয়েছে।

 

প্রশ্ন ১২: ট্রেনের রুট কি চা-বাগান ঘেরা এলাকা দিয়ে যায়?
উত্তর: হ্যাঁ, শ্রীমঙ্গল ও কুলাউড়া অঞ্চলের চা-বাগান ও পাহাড়ি এলাকায় দিয়ে যায়।

 

প্রশ্ন ১৩: ট্রেনে কি ফার্স্ট ক্লাস বার্থ কোচ আছে?
উত্তর: হ্যাঁ, ফার্স্ট ক্লাস বার্থ কোচে ঘুমানোর ব্যবস্থা রয়েছে।

 

প্রশ্ন ১৪: পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের নামকরণ কেন এমন?
উত্তর: এটি পাহাড়ি অঞ্চলের মধ্য দিয়ে চলে বলে এর নাম রাখা হয়েছে “পাহাড়িকা এক্সপ্রেস”

 

প্রশ্ন ১৫: ট্রেনের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন?
উত্তর: প্রতিটি কোচে রেল পুলিশ ও নিরাপত্তা গার্ড নিয়োজিত থাকে।